জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, ব্যবহৃত অটোমোবাইল পার্টস, হাতঘড়ি, হার্ডড্রাইভ ও মিনি পিসিসহ বিভিন্ন সামগ্রী। জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০১টি কার্টনের মধ্যে এইচপি, ডেল, লেনোভো ও মাইক্রোসফট ব্র্যান্ডের ৪৫০টি ল্যাপটপ, ৯৬৩ দশমিক ৮ কেজি কার পার্টস, ৬ টেরাবাইট ধারণক্ষমতার ৯৬টি হার্ডড্রাইভ (এইচডিডি), ২৯১ দশমিক ১৪ কেজি কসমেটিকস এবং ৯৬টি ব্যবহৃত মিনি পিসি পাওয়া যায়। জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা। আমদানি নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এসব পণ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করেও আইনানুগভাবে খালাসের সুযোগ নেই।
প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সরদার গ্লোবাল ট্রেড সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এয়ার ওয়ে বিল নম্বর ১৭৬-৬৩৫১৮৭২২-এর মাধ্যমে পণ্যচালানটি আমদানি করে। চালানে মোটর পার্টস, কসমেটিকস, মিনি পিসি, ট্যাবলেট, প্রজেক্টর ও কম্পিউটার পার্টসের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। তবে পণ্যচালানটি সম্পর্কে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাছে আগে থেকেই গোপন তথ্য ছিল। এর ভিত্তিতে চালানটি আটক করার পর দেখা যায় নতুন পণ্যের ঘোষণার আড়ালে পুরনো ও ব্যবহৃত পণ্য আমদানি করা হয়েছে, যা ঘোষণাবহির্ভূত এবং আমদানি বিধিমালা লঙ্ঘনের শামিল।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, আমদানির শর্ত পূরণ না করেই জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কসমেটিকস খালাসের চেষ্টা করা হয়েছিল। পাশাপাশি ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ, কারণ এগুলো নতুন পণ্য হিসেবে বিক্রি করে সাধারণ ভোক্তাদের প্রতারিত করার আশঙ্কা থাকে এবং পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর।